কিস্তির টাকা মওকুফ করে ওয়ালটন প্লাজার মৃত ক্রেতার পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিয়েছেন কাউখালীর ওয়ালটন প্লাজার কতৃপক্ষ।
ওয়ালটন প্লাজা সূত্রে জানাযায়, পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার বাশুরী গ্রমের মোঃ কবির ৭০০০ হাজার টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে কিস্তি সুবিধায় কাউখালী ওয়ালটন প্লাজা থেকে একটি স্মার্টফোন কিনেছিলেন।
তিনি ১টি কিস্তি পরিশোধের পর স্টোক জনিতকারণে মৃত্যুবরণ করেন।তার মৃত্যুে ওয়ালটন কতৃপক্ষ মৃত কবিরের সব কিস্তি মওকুফ করে দিয়ে তার পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। ওই টাকা মঙ্গলবার (১৩ জুন)কাউখালী ওয়ালটন প্লাজায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মৃত মোঃ কবির হোসেন স্ত্রী রাফিজা আক্তার হাতে তুলে দেন ওয়ালটন কতৃপক্ষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন কাউখালী কাউখালী থানা অফিসার ইনচার্জ( ওসি)মোঃ জাকারিয়া, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মহাসিন কবির,ওয়ালটন প্লাজার ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মো:শাহানুর আলম, কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,পিরোজপুর এরিয়ার আর এস এম মো:আব্দুল হান্নান, পিরোজপুর এরিয়ার আর সিএম মিথুন দাস,কাউখালীর ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার মো: সম্রাট খান.রাজাপুর ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার মেহেদি হাসান,তুহিন ইউপি সদস্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম ছোট্ট, ইউপি সদস্য মোঃ সাঈদ, ইউপি সদস্য মোঃ রুবেল রিয়াজীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মৃত মোঃ কবির হোসেনের স্ত্রী রাফিজা আক্তার বলেন,আমি আগে শুনেছি কিস্তিতে কোন কিছু কেনার পর যদি ক্রেতা মারা যায় তা হলে ওই কিস্তির বাকী টাকা তার পরিবারকে পরিশোধ করতে হয়।কিন্তু
ওয়ালটনের কিস্তি পর্ণ কেনার পর ক্রেতার মৃত্যু হলে যে কিস্তি মওকুফ করে দিয়ে উল্টো তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করা হয় তা আমি এই প্রথম শুনলাম। স্বামী মারা যাওয়ার পর ওয়ালটন প্লাজার কর্মকর্তাদের কাছেই এধরনের এবিষয়ে জানতে পারি আমি। এমন অসহায় পরিস্থিতিতে আমার পাশে থাকার জন্য ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃপক্ষকে আমি ধন্যবাদ জানাই।