1. multicare.net@gmail.com : আমাদের পিরোজপুর ২৪ :
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিগত সরকারগুলো রাজনীতিকে লাভজনক ব্যবসায় পরিনত করেছে : ডা. ইরান তৃনমূল নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সাবেক ছাত্র নেতা সৈকত মুন্সীগঞ্জে বিএনপি’র দুই নেতাকে জড়িয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা গজারিয়া অপহরণের মামলা করলেন কনের মা, বরের দাবি ভালোবাসার বিয়ে গজারিয়া মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থী নিখোঁজ রাঙাবালীর জামালের বাড়িতে ঈদ উপহার দিলেন ইউএনও গজারিয়া মহাসড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনায় আটক ১ ঈদগাহে ইমাম লাঞ্ছিত: নামাজ পড়াতে বাধা পিরোজপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা‘র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কাউখালীতে ঈদ শুভেচ্ছার পোস্টার লাগানো নিয়ে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের ৭ নেতা আহত

নাজিরপুরে এসএসসির (ভোকেশনাল) ভ্যেনু কেন্দ্রের শিক্ষা বোর্ডের ভূয়া চিঠি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি :

পিরোজপুরের নাজিরপুরে ৩১ শিক্ষার্থীর জন্য কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ভূয়া চিঠি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এসএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভোকেশনাল) প্রকৌশলী জাকারিয়া আব্বাসী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গত মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারী) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে দেয়া হয়েছে।ওই একই তারিখের স্বাক্ষরিত ওই চিঠিটি গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে পৌঁছলে চিঠি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।জানা গেছে, ওই একই দিনের স্বাক্ষরিত চিঠিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা পবিত্র বিশ্বাসের মাধ্যমে তার কাছে পেঁছে। চিঠিতে উপজেলার ৩টি কারিগরি বিদ্যালয়ের ৩১ পরীক্ষার্থীর জন্য মাটিভাঙ্গার হাজী আব্দুল গনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ভ্যেনু কেন্দ্র নির্ধারন করা হয়েছে।আর মুল কেন্দ্র একই উপজেলা সদরের সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজকে দেয়া হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( অতিরিক্ত দায়িত্ব) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, পরীক্ষা সংক্রান্ত বা সরকারী যে কোন চিঠি ইমেলের মাধ্যমে আসে।কিন্তু ওই চিঠিটি হাতে আসায় আমার সন্দেহ হয়। তাই ভেন্যু কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা পবিত্র বিশ্বাস বলেন, গত মঙ্গলবার দুপুরে চিঠিটি উপজেলার লড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দীপংকর সমদ্দার রিপাশ আমাকে দিয়েছেন।তবে ওই শিক্ষক চিঠি দেয়ার কথা অস্বীকার করেন।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহিদুল ইসলাম বলেন, এর আগে লড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে থাকা কারিগরি কেন্দ্রটিতে ব্যাপক নকলের অভিযোগে বাতিল করেন শিক্ষাবোর্ড।শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কেপাত উল্লাহ বলেন, ওই চিঠিতে আমার কোন স্বাক্ষর নাই।তা ছাড়া অফিসিয়াল চিঠি জেলা প্রশাসক সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে হাতে নয়, ইমেলে পাঠানো হয়। কাজেই চিঠিটি ভূয়া।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓