মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি :
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ৫ টি গ্রামের জল্বদ্ধতা নিরাশনে সুইজগেট নির্মাণের দাবীতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মানববন্ধন করেছেন ভূক্তভোগী শহরের শতাধিক কৃষক। সোমবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের তাফাল বাড়িয়া গ্রামের হলতা নদীর শাখা তারাখালের বাঁধের ওপর এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।ঘন্টা ব্যাপী এ কর্মসূচিতে তাফালবাড়িয়া গ্রামের মাদরাসা শিক্ষক মো. ফারুক আলম এর সভাপতিতেত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রোখেন, কৃষক রেজাউল আলম, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল মালেক, কৃষক সেলিম সিকদার, মো. হাবিবুর রহমান প্রমূখ।ক্তারা বলেন, হলতা নদীর শাখা তারাখালে পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্তৃক একটি অপরকিল্পিত বাঁধের কারনে কৃষিতে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে। বাঁধের কারনে খালটির প্রবহমান পানির গতিধারা আটকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় ৫ গ্রামের কৃষিতে সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া নব্যতা হরানো খালে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি মাছ চাষ করায় খালটির পানি গ্রামবাসি ব্যবহার করতে পারছেন না।স্থানীয় তাফালবাড়িয়া গ্রামের ষাটোর্ধ কৃষক সেলিম সিকদার জানান, স্থানীয় তাফালবাড়িয়া, নলী তুলাতলা, নলী গোলবুনীয়া, চড়কগাছিয়া ও ঝাঁটিবুনীয় গ্রামের ভেতর বয়ে যাওয়া তারাখাল স্থানীয় কৃষির সেচ সংকট মোকাবেলা করে। ওই খালে দুই মাথায় ১৯৭২ সালে পাউবো দুইটি বাঁধ নির্মাণ করে পানির প্রবাহ আটকে দেয়। এতে কৃষির চরম বিপর্যয় ঘটে। ১৯৮৫ সালে কৃষকরা ওই বাঁধ অপসারণে দাবি শুরু করে। পরে পাউবো সেখানে পরিকল্পিত ¯øুইজগেট নির্মাণের আশ^াস দিলেও আজও তা কার্যকর হয়নি। এতে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে আসছে। কৃষি জমিতে লবন পানির আগ্রাসন বাড়ছে। প্রতি বছর স্থানীয় কৃষিতে ফসল মার খাচ্ছে। এলকায় আমন আবাদ, মুগডালসহ নানা রবিশষ্য উৎপাদনের ওপর কৃষকরা নির্ভরশীল।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, তারাখালে বাঁধ দেওয়ার কারনে খালের পানির স্বাভাবিক গতিধারা নষ্ট হচ্ছে। এতে কৃষির ক্ষতি হচ্ছে। খালটি পরিদর্শন করে সেখানে ¯øুইজগেট নির্মাণ করা যায় কিনা সে বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে পাঠানো হবে।